Content on this page requires a newer version of Adobe Flash Player.

Get Adobe Flash player

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আসে যায়, কিন্তু ইমারত নির্মাতাদের কারনে দুবির্ষহ পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না নাগরিকরা।



৪ ৫৪
মুহাম্মদ শামীম আখতার, বাংলাদেশমুভস, ৯ রমজান, ১৪৩৮, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪, ৫ জুন, ২০১৭: খুব নীরবেই দেশে পালিত হয়ে গেল বিশ^ পরিবেশ দিবস। অনেকটা গোপনে, নিরিবিলিতে। এর একটি কারনও আছে যারা পরিবেশ দুষণ করছে, তাদের থেকে পরিবেশ দূষণের অজুহাতে সরকারী চাঁদাবজির একটি অবারিত সুযোগ রয়েছে, যার খবর আম-জনতা জানেনা- এটি জানানোর দরকার নেই বলেই সরকারের জালিম অংশটি মনে করছে।
রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল, আইন তৈরী, এবং সেই আইন বাস্তবায়নের নামে লাঠি, অস্ত্র আর ডান্ডাবেরি পরানোর ভয় দেখালে যে কোন অপরাধীই রাষ্ট্র যন্ত্রকে চাঁদা দেয়। আর তাতে সেই জালিমরূপী জনগনের শাসকরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায়। গত কয়েক বছর ধরে আম্বি তোম্বি করছে শিল্প মন্ত্রণালয় । তারা ঢাকার অন্যতম পরিবেশ দুষণকারী হাজারীবাগের ট্যানারী সাভারে ইটিপি প্লান্টের আওতায় পরিচালিত একটি শিল্প প্লটে স্থানান্তর করার বহু ডেটলাইনও উপহার দিয়েছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ধানমন্ডির বাঘের খাদ্য, সাভারের বাঘের কাছে- যাবে তা কি হয়? ফলে ২০১৭ সালের জুন মাসের ৫ তারিখ গড়িয়ে গেলেও ট্যানারী সরানোর কোন উদ্যোগ নেই, কারণ জুন মাস ছিল ডেটলাইন। এর অন্যতম দায়িত্বশীল পরিবেশ অধিদপ্তরও এর মধ্যে মাল কামিয়ে নিচ্ছে, আর বাকী থাকলো মিছিল করা পার্টি আর সাম্বাদিক – তাতো কেনাবেচা চলছেই।
এর বাইরে আরেকটি পরিবেশগত অভিশাপ নগরবাসী হিসেবে যে কোন ব্যক্তিকেই মোকাবেলা করতে হচ্ছে। আর তা হচ্ছে: নির্মান সামগ্রী বালি, খোয়ার যত্রতত্র রাস্তায় ফেলে রাখা ও তা থেকে বাতাসের দুষণ। পাইল করার জন্য দুবির্ষহ শব্দ দুষণকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে, কিন্তু তার প্রতিরোধে নেই কোন উদ্যোগ। এই বালি কেবল স্থলভাগে নয়, নৌপথেও এর কারনে সৃষ্ট হচ্ছে সমস্যা। উর্বরা মাটি ব্যবহার না করে বালি ও নুড়ি উজান থেকে ভেসে আসে, তা দিয়ে আমাদের বাড়িগুলো করা সম্ভব হলেও কেবল ব্রিক ফিল্ডের কিছু সংস্কারেই তৃপ্তির হাসি হাঁসছে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সহযোগি সংস্থাগুলো।
অধিকন্তু রাস্তায় গেলে বাস, কারের দুর্বিষহ শব্দে অসুস্থ হচ্ছেন না- এমন লোক পাওয়া দুষ্কর । দেখে মনে হচ্ছে এই দুষণের সাথে নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞদের রোগী বৃদ্ধির একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শিরোনাম নির্মান সামগ্রী দিয়ে শুরু হলেও পরিবেশ দূষণের আলোচিত ক্ষেত্রগুলো এ জন্য আনলাম, কারণ এর প্রত্যেকটির সাথে রয়েছে দুশাসকদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক। এই দু:শাসকদের ভুড়ি বৃদ্ধির যে অর্থ – তা আসে এই দূষণকারীদেরকে ব্লাকমেইলিং করা অর্থ থেকে।
সুন্দর পরিবেশে সকলে বাস করার যে অনাবিল আনন্দ তা যেন এই জালিমদের কাছে অপ্রত্যাশিত থেকেই যাচ্ছে। সরকারের গ্রহনযোগ্যতা এর কারনে নিদারুনভাবে ক্ষুণœ হচ্ছে। শব্দ: ৩৪৬।


© Copyright
All rights reserved to Editor
Editor
Muhammad Shamim Akhter
Contact
Pallabi, Dhaka
Bangladesh
Mobile phone: 01536179630 / 01914042834
email: shamim2sh@gmail.com