Content on this page requires a newer version of Adobe Flash Player.

Get Adobe Flash player

বাংলাদেশের হাবাগোবা মাপার কিটস আসে ভারতের চেন্নাই থেকে 


3

এ কিটসগুলো শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

1 2

বাংলাদেশমুভস, ১৪ মুহাররম, ১৪৩৯, ২০ আশ্বিন, ১৪২৪, ৫ অক্টোবর, ২০১৭:: বাংলাদেশের .. গোল .. দা হাবাগোবাদের বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য বিদেশীদের পরামর্শে কয়েক বছর ধরে ইউনিসেফের অর্থায়নে লবণে আয়োডিন মিশিয়ে চলেছে সরকারের লবণ চোরা মন্ত্রণালয় খ্যাত শিল্প মন্ত্রণালয়। যে লবণ এক সময় আয়োডন ছাড়া ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হোত, সে লবণ এখন ফ্রি আয়োডিন মেশানোর সুবাদে ২৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি হয়েছে। তো আম্চর্যজনক কথা হচ্ছে : এ লবণে আয়োডিন মেশানোর ফলে বাংলা মুলুকে কত শতাংশ পাগল ভাল হয়েছে তার কিন্তু কোন জরিপ গত দশ বছরেও হয়নি। অথচ লবণে আয়োডিন মিশিয়েই চলেছে বিসিক ও লবণ কোম্পানীগুলো। লবণের এ যে পোঙ্গামারামারি এরও কিন্তু পিছে আছে ম্লেচ্ছদের গরু কুরবানীর পর চামড়া ব্যবসায় বন্ধ করা। সেটি বুঝার মত বুদ্ধি কিন্তু আয়োডিন মেশানোর পরও হয়নি এদেশের কারও । তো বছর দু ‘য়েক আগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মুশাররফের নেতৃত্বে এক সভা হয়েছিল মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রনালয়ের সম্মেলন কক্ষে, তখন সাম্বাদিক কল করেছিলেন তানারা , তো আমিও তথায় তাশরিফ এনেছিলাম। আমি সচিব মহোদয়কে প্রশ্ন করেছিলাম : স্যার, দেশে তো খর্বিত বা বাটু লোকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আমরা যদি গার্মেন্টস এর শ্রমিকদের দল বেধে যেতে দেখি, তাদের দেখলে তো মনে হয়, তাদের উচ্চতা বাড়ছে না। তাহলে দশ পনের বছরের এ ছেলে -মেয়েগুলোর উপর আয়োডিনের কী প্রভাব নিয়ে কী ধরণের জরিপ হয়েছে? ”বুদ্ধিমত্তার বিকাশ: সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আয়োডিনের অভাবজনিত রোগসমূহের নিয়ন্ত্রণ” শীর্ষক একটি পুস্তিকার ১৩ পৃষ্ঠায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের জাতীয় আইডিডি জরিপ হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের আয়োডিনের অভাবজনিত রোগসমূহের (আইডিডি এর উপর জরিপ হয় ১৯৯৩ সালে।এরপর ১৯৯৯ ও ২০০৪ -২০০৫ সালে দুটি জরিপ হয় । এরপর আর হয়নি। আর
আমরা তো জানি আয়োডিন পর্যাপ্ত পেলে দেশের প্রজন্ম লম্বা হয়, বুদ্ধিও বাড়ে? তাহলে আয়োডিন মিশানোর কর্মসূচী কতটা সফল হচ্ছে? দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল: স্যার আপনার বিসিক থেকে প্রকাশিত একটি বুকলেটে দেখা যায়, ব্যক্তির সারা জীবনে দেহে আয়োডিন লাগে এক চা চামচের সমান। তাহলে যে হারে আয়োডিন মিশানো হচ্ছে এ আয়োডিন আমাদের দেহে ওভারডোজ হচ্ছে কিনা। আমার মনে আছে : বাঘা সম্বাদিকসহ অনেকেই আমার সাথে সম্মতি জানিয়ে মাথা ঝাকিয়েছিলেন। তবে চেন্নাই থেকে আনা আয়োডিন পরিমাপের কিটস সাপ্রাই দেয়া এক এনজিও প্রধান আমতা আমতা কিছু বলেছিলেন বটে! আর সচিব হোসেন ভাইও অনেকটা থমকে গিয়েছিলেন। তিনি অত্যন্ত পান্ডিত্যপূর্ণ ভঙ্গিমায় প্রসঙ্গ এড়িয়ে সায়ানাইডিয়ের কথা বলে আসর জমিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন : আয়োডিন ও তেমনি সায়ানাইড যেমন অল্পতেই জীবন শেষ করে, আয়োডিন বেশি খেলেও মৃত্যু হতে পারে। তার স্মরণযোগ্য উক্তি ছিল: শিল্প মন্ত্রণালয় লবণে আয়োডিন মেশানোর প্রকল্প থেকে সরে আসবে।
বাস্তবতা হচ্ছে : বিগত দু’বছরে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োডিন মেশানোর প্রকল্পতেই আছে এবং দশ টাকার লবণ এখন চল্লিশ টাকায় বিকোচ্ছে।
তবে আমার কিন্তু সর্বনাশ একটা হয়েছে। এরপর সচিব হোসেন ভাই আর আমাকে ডাকেননি। হয়তো্ তিনি তার প্রজ্ঞায় বুঝেছিলেন: আমার শরীরে হয়তো আয়োডিনের ওভার ডোজ হয়েছে!

4 5 6


© Copyright
All rights reserved to Editor
Editor
Muhammad Shamim Akhter
Contact
Pallabi, Dhaka
Bangladesh
Mobile phone: 01536179630 / 01914042834
email: shamim2sh@gmail.com